আজকের যুগে ফেসবুক হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি app। প্রায় অধিকাংশ মানুষই ফেসবুকে নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল বা পেজ চালিয়ে থাকে। আজকে আমরা জানবো ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করা কি সম্ভব -কিভাবে করব?এর পাশাপাশি ফেসবুক কী? কবে ফেজবুক আবিষ্কার হয়েছে? বিস্তারিত জানবো।
এখনকার সময়ে সবার মোবাইলেই facebook appটি ডাউনলোড করা থাকে এবং এর মধ্যে প্রোফাইল খুলে এই অ্যাপটি চালিয়ে থাকে। আবার কিছু মানুষ আছে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন না। ফেসবুক চালানোর জন্য সবার আগে আপনার পছন্দ মতো নাম দিয়ে প্রোফাইল ফুলে থাকেন। পরে দেখা যায় যে এই নামটি আর ভালো লাগেনা আর এটি বাদ দিয়ে অন্য নাম পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন। ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করা কি সম্ভব কিভাবে করব চলুন ধাপে ধাপে জানা যাক।
ফেসবুক হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে সকলেই প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে থাকে। ফেসবুক বলতে মূলত সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়।এমন কেউ নেই যারা ফেসবুক নামটি এখনো শুনেনি।সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা মূলত দূরে বসেই পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। পরিবারের সঙ্গে যারা দূরে থাকে কিংবা সেই সকল বন্ধু যাদের সাথে সহজে দেখা করা যায় না ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের খোঁজখবর নেওয়া যায়।
প্রতিটি মানুষ হোক তারা বন্ধু, পরিবার কিংবা অচেনা কেউ তারা তাদের প্রতিটি সুন্দর মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি ফেসবুকের মাধ্যমে তুলে ধরে।ফেসবুক হচ্ছে এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যা খুবই অল্প সময়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমান বিশ্বের মানুষদের মাঝে ফেসবুকের ভূমিকা অনেকটাই বেড়ে গেছে। ফেসবুকের মাধ্যমে চাইলে পরিবার কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের ছবি, ভিডিও কিংবা বিভিন্ন তথ্য বিনিময় করা সম্ভব হয়।
এই প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে বিভিন্ন অচেনা মানুষদের সঙ্গে পরিচিতি লাভ করা যায়। বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কেও জানা যায়। অর্থাৎ ফেসবুকের একটি ভালো দিক হচ্ছে ঘরে বসেই পৃথিবীর বিভিন্ন খবর জানা যায়। কোথায় কি হচ্ছে, কে কি করছে মানুষ সে সম্পর্কে তথ্য দিয়ে থাকে।এমনকি মানুষ তাদের ওপেনিয়ন ফেসবুকের মাধ্যমে সারা বিশ্বের মানুষদের জানিয়ে থাকে। কাজের দিক থেকেও ফেজবুক মানুষদের সাহায্য করে থাকে।
ফেসবুক কবে চালু করা হয়
ফেসবুক হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেটি চালাতে টাকার প্রয়োজন হয় না। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত একটি অ্যাপ। ফেসবুকের সঠিক ব্যবহারে মানুষ অনেক কিছুই করতে পারবে। ফেসবুক ব্যবস্থা যেমন :-পোস্ট, ভিডিও, স্টোরি ও যোগাযোগ এর মতো ব্যবস্থা করেছে ঠিক তেমনি তথ্য আদান প্রদান শিক্ষা ও বিনোদনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।ফেসবুক এর মতো এই গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মটি ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আবিষ্কৃত হয়।
এটি মূলত আবিষ্কার করেন 'মার্ক জাকারবার্গ'। মার্ক জাকারবার্গ এর ছোট থেকেই বৃদ্ধিবৃত্তি বৃদ্ধি ছিল প্রবল। তিনি নিজের চিন্তা চেতনা ও বন্ধুদের পরামর্শে এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেন। খুব কম সময়ে এর জনপ্রিয়তা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে আজকের যুগে ফেসবুক একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। আজকের যুগে, ফেসবুক মূলত আধুনিক ইন্টারনেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২০০৪ সালে এর জনপ্রিয়তা সবার মাঝে না পৌঁছালেও বর্তমান বিশ্বের প্রতিটি দেশে এই উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মটির ছোঁয়া রয়েছে। মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুক প্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন এই অদ্ভুত অনলাইন ব্যবস্থাটি তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং তিনি সফলতা লাভ করেছিলেন।২০০৪ সালে ফেসবুকের নাম TheFacebook.com হলেও পরবর্তীতে ২০০৫ সালে The বাদ দিয়ে এর নাম Facebook.com রাখা হয়েছিল।
কি কারনে ফেসবুক চালু করা হয়েছিল
সকল ধরনের ওয়েবসাইটের মধ্যে ফেসবুক হচ্ছে একটি সফল ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটটির সাফল্যের পেছনে তরুণ তরুণীদের অবদান অনেক। মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg) যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তার মাথায় হঠাৎ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার চিন্তা জাগে যেটি অনলাইনের মাধ্যমে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
তারপর এই প্রধান উদ্যোক্তা তার কিছু প্রাথমিক পর্যায়ের বন্ধুদের সঙ্গে মিশে ফেসবুক ওয়েবসাইটটি তৈরি করেন। প্রথমে এটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকের মাধ্যমে প্রোফাইল তৈরি করে তারা একে অপরের সাথে ছবি বিনিময় এবং যোগাযোগ করতো।খুবই অল্প সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফেসবুকটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
শুরুতে ফেসবুক শুধু হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে এটি সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।তবে প্রথম দিকে সবচেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তরুণ তরুণীরা ছিল। ২০০৬ সালের দিকে ১৩ বছর বয়সী থেকে এর বেশি বয়সী মানুষদের এবং যাদের বৈধ ই-মেইল ঠিকানা আছে সে সকল ব্যক্তিদের নিবন্ধনের অনুমতি দিয়েছিল। বলা যায় যে ২০০৬ সালে ফেসবুকের মাঝে পরিবর্তন দেখা যায়।
এই ফেসবুক প্ল্যাটফর্মটি শুধু শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষদের ব্যবহারের জন্য সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। যার ফলে ফেসবুকে এখন উন্নতির চরণ শিখরে পৌঁছেছে। এমনকি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ব্যবহার করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। যার কারণে এটি ব্যাপক প্রসিদ্ধ লাভ করে। এটি এখন পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফেসবুক দিয়ে মূলত কি কি করা যায়
ফেসবুক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়। ফেসবুকের বিভিন্ন অংশ আছে যেমন :-স্টোরি, রিল্স,পোস্ট,লাইভ ইত্যাদি। এগুলো মূলত আলাদা আলাদা ধরনের কাজ করে থাকে। এই সকল অংশগুলোর মাধ্যমে মানুষ তাদের ব্যক্তিগত এবং আশেপাশের বিভিন্ন তথ্য, ভিডিও, প্রতিচ্ছবি দেখিয়ে থাকে।ফেসবুকের স্টোরি এটি দ্বারা মূলত মানুষ তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অংশ অল্প সময়ের জন্য দেখিয়ে থাকে।
স্টোরি মূলত একদিনের জন্য বরাদ্দ। অন্যদিকে রিল্স ও পোস্ট হচ্ছে একটি দীর্ঘসময় ভিডিও ও তথ্য। পোষ্টের মাধ্যমে মূলত সকলে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সবার সাথে ভাগাভাগি করে থাকে। যে পর্যন্ত পোস্ট ডিলিট করা না হয় সে পর্যন্ত এই পোস্টটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। অন্যদিকে রিল্স হচ্ছে দীর্ঘ সময়ই ভিডিও। অর্থাৎ মানুষ তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অংশ এবং আশেপাশের বিভিন্ন জিনিসের ভিডিও ছোট করে রিল্সের মাধ্যমে আপলোড করে থাকে।
যদিও বড় ভিডিও ও আপলোড করা যায়। অন্যদিকে লাইভ বলতে সরাসরি কোন কিছু দেখা কে বোঝায়।অর্থাৎ বর্তমান সময়ে কি হচ্ছে না হচ্ছে তা লাইভ এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের মাঝে পৌঁছানো সম্ভব হয়। এই সকল ভিডিও, পোস্ট, লাইভ, রিল্স ইত্যাদি এর মাঝে লাইক এবং কমেন্ট করার সুযোগ দিয়ে থাকে। যাদের ভিডিওটি পছন্দ হয় তারা লাইক কমেন্ট করে।ফেসবুক দিয়ে এই সকল কিছু করার পাশাপাশি এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়।
অনেক সময় দেখা যায় যে দেশের বাইরে অনেক মানুষের পরিবার কিংবা বন্ধু-বান্ধব বসবাস করে কিংবা কাজ করতে যায়। দেখা যায় যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা কাগজপএ দেশে রেখে যায় ফেসবুকের মাধ্যমে এ ডকুমেন্ট বা কাগজপএ গুলো পিকের দেশের বাহিরেও তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়। তখন শুধু প্রিন্ট করলেই চলে। এরকম আরো অনেক বিষয়ে ফেসবুক মানুষদের সাহায্য করে থাকে।
ফেসবুকের বিভিন্ন ফিচার এর জনপ্রিয়তার আরেকটি মাধ্যম। ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রোফাইল তৈরি করে সেখানে ছবি, পোস্ট, শিক্ষা এবং অন্যান্য তথ্য চাইলেই তার ফেসবুক প্রোফাইল কিংবা পেজে আপলোড করতে পারে। এমনকি পেজ খোলার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারে। facebook এ সুযোগটিও তাদের ব্যবহারকারীদের দিয়েছে।
ফেসবুকে নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। অনেক সুবিধা সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যে জানতে ও পেরেছি। আমরা জানি , কোন জিনিসের যেমন ভালো দিক রয়েছে ঠিক তেমনি তার কিছু অসুবিধার দিকটিও রয়েছে। তবে এই সকল অস্বস্তিকর পরিবেশ মূলত আমাদের মত মানুষরাই তৈরি করে থাকে। যেমন ফেসবুক বর্তমান বিশ্বের সকলেই ব্যবহার করে এর মাধ্যমে সবাই যেমন আনন্দ পায় ঠিক তেমনি সবার সাথে আনন্দ ভাগ করে। এই আনন্দ ভাগের সুবিধা নিয়ে কিছু কিছু মানুষ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করে থাকে ।
আর অনেকে না বুঝে সেই প্রতারণার শিকার হয়। এখন মূলত আপনারা ভাবছেন যে কিসের প্রতারণা? ধরেন, কোন এক ব্যক্তি তার নিজস্ব ফেসবুক পেজের মাধ্যমে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সেটা কিছু ব্যক্তি মেনে নিতে না পেরে হ্যাক করার চেষ্টা করে। ফলে পরিশ্রমের সেই পেজটি হাতছাড়া হয়ে যায়। অথবা দেখা যায় প্রতারণার আরেকটি দিক হচ্ছে কোন একটা লিংক কিংবা মেসেজ প্রদান করে যা মানুষদের আকৃষ্ট করে। সেই লিংকটি কিংবা মেসেজে ঢুকতেই এর ফলে সহজে প্রতারণার শিকার হয়ে থাকে। তাই এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ফেসবুকের প্রোফাইল ও পেজের মধ্যে পার্থক্য কি
ফেসবুক চালানোর জন্য অবশ্যই একটা প্রোফাইল আইডি খুলতে হবে। প্রোফাইল খুলে এর অধীনে চাইলে একের অধিক পেজ ও খোলা সম্ভব হয়। এখন অনেকে নাও জানতে পারে যে প্রোফাইল ও পেজের কাজ কি? এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বোঝানো যাক।প্রফাইল হচ্ছে এমন একটি আইডি যেখানে ব্যবহারকারীরা শুধু তাদের নির্দিষ্ট বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের তার সাথে যুক্ত রাখতে পারে। ব্যবহারকারী না চাওয়া অব্দি অন্য কোন ব্যক্তি তার সাথে এড হতে পারবেনা।
প্রোফাইল ব্যবহারকারী ব্যক্তি যদি তার বিভিন্ন ছবি কিংবা তথ্য আপলোড করে তাহলে তার সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যবহারকারীরাই শুধু দেখতে পারবে।তার সাথে যারা যুক্ত না তারা তার সকল আপডেট দেখতে পারবে না। মূলত প্রোফাইল হচ্ছে নিজস্ব ব্যক্তিগত। অন্যদিকে পেজ নিজস্ব ব্যক্তিগত না। এখানে ব্যবহারকারী যা যা আপডেট দিবে সে সকল আপডেট সকল মানুষের কাছে পৌঁছাবে। অনেক সময় সে সকল আপডেট কিংবা তথ্য সারা বিশ্বের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।
মূলত পেজের মাধ্যমে নিজের সকল চিন্তাভাবনা অন্যান্য মানুষদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। যদি কোন ব্যবহারকারী তার সাথে যুক্ত না হয়ে থাকে এরপরেও সে ব্যবহারকারী তার পোস্টটি দেখতে পারবে। পেজের মাধ্যমে আবার মনিটাইজেশনের ধারা ইনকাম করা যায়। যারা ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে চায় তারা একটি পেজ খুলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের আপডেট আপলোড করে চাইলে টাকা ইনকাম করতে পারেন।
ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করা কি সম্ভব- কিভাবে করব
ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করা কি সম্ভব- কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে নিচে সুন্দর ভাবে বোঝানো হয়েছে।আমরা অনেকেই আছি যারা ফেসবুকে ব্যক্তিগত প্রোফাইল কিংবা পেজ খুলে সেটার ব্যবহার করে থাকি।তবে প্রোফাইল কিংবা পেজ খোলার সময় আমরা সেটার পছন্দ মতো একটা নাম দিয়ে থাকি।পরবর্তীতে দেখা গেল যে সেই নাম আর পছন্দ হচ্ছে না আর নামটি পরিবর্তন করতে চাচ্ছি। এখন নামটি কিভাবে পরিবর্তন করব কিংবা আপনারাই বা কিভাবে পরিবর্তন করবেন?
তাহলে চলুন ধীরে ধীরে সেটি বোঝানো যাক।আমি প্রতিটি স্টেপ ধাপে ধাপে ছবির এবং ব্যাখ্যার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিচ্ছি :-
ধাপ:-১
সবার প্রথম আপনার ফেসবুকের অ্যাপটির মধ্যে ঢুকবেন। এরপর সবার উপরে থ্রি(3) লাইন টাইপের আইকন আছে সেই আইকনে ক্লিক করবেন। ফেসবুকে ঢোকার প্রথম প্রথম দিকে এই আইকনটি আপনার চোখে পড়বে ।আমি নিচে লাল এরো চিহ্ন দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।
ধাপ২:-উপরের থ্রি(3) লাইন বাটনে ঢুকার পর সেটিং এন্ড প্রাইভেস(Settings and privacy) নামের আরো একটি আইকন আপনাদের চোখে পড়বে। এই আইকনের পাশে লাল তীর চিহ্ন দিয়ে নিচের ছবিতে বুঝিয়েছি। ডান সাইডের সেই এরো চিহ্নতে ক্লিক করতে হবে।
ধাপ৩:-ডান সাইটের এরো চিহ্নতে ক্লিক করলে এর নিচেই আরো একটি লেখা দেখা যাবে। সেটি হচ্ছে সেটিং (settings)। তারপর এই সেটিংএ ঢুকতে হবে।
ধাপ৪:- ধাপ তিন এর কাজ সম্পূর্ণ হলে অর্থাৎ সেটিং-এ ক্লিক করে ঢুকার পরে একটি পেজ সামনে আসবে যেটি ধাপ ৪ এর ছবিতে দেখানো হয়েছে। সেখান থেকে নিচের যেই তীর চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়েছে অর্থাৎ অ্যাকাউন্ট সেন্টারে (Account centre) ক্লিক করতে হবে। অনেকের মোবাইলে এই অ্যাকাউন্ট সেন্টার অপশনটি নাও আসতে পারে। তাই এর উপরে সার্চ সেটিং দেখা যাচ্ছে আমি লাল তীর চিহ্ন দিয়ে মার্ক করেছি। সেখানে ইংরেজিতে নেম (Name) লিখে সার্চ করলেই নাম এর একটা আইকন চলে আসবে।
সেই নামে টিপ দিলে ধাপ পাচের দেওয়া ছবিটিতে চলে যাবেন। আর যদি একাউন্ট সেন্টার আপনার মোবাইলে আসে তাহলে তো খুব ভালো। বাড়তি আর কোন ঝামেলা লাগবে না শুধু অ্যাকাউন্ট সেন্টারে ক্লিক করলেই ধাপ পাচে চলে যাবেন। আশা করি, বোঝাতে পেরেছি। আচ্ছা আবার অনেকের মোবাইলে একাউন্ট সেন্টার না আসলে দেখবেন সেম একই জায়গাতেই( Meta Account) নামের আইকন আসবে। তখন এই ম্যাটা অ্যাকাউন্ট এ ক্লিক করলে ধাপ পাচের পেজে চলে যাবেন। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি বিস্তারিতভাবে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।
ধাপ ৫:- ধাপ ৪ শেষ করেই ধাপ ৫ এ অটোমেটিক এসে পড়বেন। সেখানে আপনার কাঙ্খিত প্রোফাইল কিংবা পেজটি শো করবে। অর্থাৎ আপনি যে পেজের নামটি পরিবর্তন করতে চাইবেন এ পেজটি এখানে দেখা যাবে। তারপর লাল তীর দিয়ে দেখানো চিহ্নের সেই এরো টিতে ক্লিক করে ঢুকে পড়বে পড়বেন।
ধাপ ৬:- ধাপ ৫শেষ করলেই আপনার চোখের সামনে যে পেজটির কিংবা প্রোফাইলটির নাম পরিবর্তন করবেন সেটি সামনে আসবে। আশা করি, ছবিটি দেখে বুঝতে পেরেছেন। এখানে name,username,profile picture,avatar ইত্যাদি দেখা যাচ্ছে। আপনি যেহেতু নাম পরিবর্তন করবেন সেহেতু নামে ক্লিক করলেই হবে।লাল তীরে নির্দেশনা অনুযায়ী নামে ক্লিক করবেন।
ধাপ ৭:- ধাপ ছয় এর কাজ শেষ করলেই আপনার সামনে সরাসরি নাম পরিবর্তনের পেজটি দেখানো হবে। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছে মতো যে কোন নাম দিয়ে দিতে পারেন ।এখানে ফাস্ট নেম বলতে আপনার নামের প্রথমে যেটি হবে সেই নামটি বসাবেন। তারপর সারনেম এর জায়গায় আপনাদের নিজেদের সারনেমটি দিয়ে দিবেন।
আর যদি এমন কেউ থাকে যাদের নাম বড় বা তিন শব্দের নাম তারা চাইলে প্রথমে প্রথম নাম তারপর দ্বিতীয় এবং এরপর তৃতীয় নামের শব্দটি ব্যবহার করলেই হবে। এরপর সবার নিচে Review change এ ক্লিক করলেই আপনার নামটি পরিবর্তন হয়ে যাবে।
শেষ মন্তব্য
আজকের আর্টিকেলটির মধ্যে ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করা কি সম্ভব- কিভাবে করব এটি জানার পাশাপাশি ফেসবুক সম্পর্কে আর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে ফেসবুক সকলেরই নিত্যদিনের সাথী।শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়লে ফেজবুকের বিভিন্ন দিক এবং ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে ওয়েবসাইটের পাশে থাকুন। যাতে সবার আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনার হাতে পৌঁছায়।
মিম ব্লগার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url